• বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন
  • Bengali Bengali English English

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই পা হারানো নদীকে ৫ লাখ টাকা সহায়তা

অন্যায়ের প্রতিবাদ / ২১৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশকাল ► বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই পা হারানো স্কুলছাত্রী নদীর পাশে দাঁড়াল প্রাউড টু বি সিলেটি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে। বুধবার দুপরে প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে তার হাতে পাঁচ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র তুলে দেয়া হয়।

প্রাউড টু বি সিলেটি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকের হবিগঞ্জ প্রতিনিধি তোফাজ্জল সুহেলের সভাপতিত্বে ও শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গাজীউর রহমান ইমরানের পরিচালনায় আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ-৩ (হবিগঞ্জ-লাখাই-শায়েস্তাগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ তালুকদার ইকবাল, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিনহাজুল ইসলাম জায়েদ, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা. মুক্তা আক্তার, জেলা পরিষদের সদস্য আবদুল্লাহ সরদার, ব্রাক্ষণডুরা ইউপি চেয়ারম্যান হুসাইন মো. আদিল জজ, নিজামপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. তাজউদ্দিন, প্রেস ক্লাবের সভাপতি আসম আফজল  আলী, সাংবাদিক হাফিজুর রহমান নিয়ন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে আহত স্কুলছাত্রী নদীর হাতে পাঁচ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র তুলে দেন প্রধান অতিথি।

উল্লেখ্য, গত ১৫ মে বিকালে বাসার পাশে একটি নির্মাণাধীন ভবনের ছাদে সহপাঠীদের সঙ্গে খেলছিল নদী। ওই দিন বাসার ওপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুৎ লাইনের তারটি খুলে রাখা হয়েছিল ছাদে। পাশেই জমানো পানিতে পড়েছিল আরও একটি তার। খেলতে খেলতে ওই পানিতে পা পড়ে যায় নদীর। এতে গুরুতর আহত হয় সে। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে নদীকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে পাঠানো হয়। সেখানে গত ৪ জুন নদীর দুটি পায়েরই হাঁটুর নিচ থেকে কেটে ফেলা হয়। এছাড়া শরীরের বিভিন্ন পুড়ে যাওয়া অংশ সার্জারি করা হয়।

প্রায় তিন মাস চিকিৎসা শেষে টাকার অভাবে মেয়েকে নিয়ে বাড়ি চলে আসেন বাবা রফিক মিয়া। এখনও তার অনেক চিকিৎসা বাকি। কাপড় ব্যবসায়ী বাবা রফিক মিয়ার গ্রামের জমি-জায়গা ও প্রাইভেট কার বিক্রি করেও চিকিৎসার খরচ কুলানো যায়নি নদীর। পরে আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকেও টাকা ধার করতে হয়েছে। এ পর্যন্ত চিকিৎসা বাবদ ১৯ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে।

শায়েস্তাগঞ্জ সমিতি ইউকের সভাপতি ও প্রাউড টু বি সিলেটি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকের সদস্য অ্যাডভোকেট মীর গোলাম মোস্তফা নদীর জন্য এ অনুদানের ব্যবস্থা করেন।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট মীর গোলাম মোস্তফা বলেন, মেয়েটির ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে আমি ইউকেতে বসবাসরত সিলেটীদের সঙ্গে কথা বলার পর প্রাউড টু বি সিলেটি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকে নদীর জন্য পাঁচ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করে। এছাড়াও আরও সহযোগিতার জন্য চেষ্টা করছি।


এই বিভাগের আরো সংবাদ

আমাদের ফেসবুক পেজ

Facebook Pagelike Widget