• শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
সংবাদ শিরোনাম
আমীরগঞ্জে সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত ব্যবসায়ী পান্না নারী উত্ত্যক্তকারী সোহাগের মুক্তির দাবীতে থানা ঘেরাও! নির্বাচন বানচাল করতে বিএনপি প্রার্থী হান্নানের নাটক বাটার গলিতে বৃদ্ধার সম্পদ দখলের পায়তারা সন্ত্রাসী নুরী বাহিনীর ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ’র চেয়ারম্যান ইমরানের দুর্নীতি ফাঁস বিএম কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক বাবুকে মহানগর ছাত্রদলের সংবর্ধনা সময়ের লড়াকু সাংবাদিক এম. লোকমান হোসাঈন এর জন্মদিন পালিত ‘জিম্মি’ সাংবাদিকদের পাশে থাকবে অনলাইন প্রেস ইউনিটি কারাগারে আসামীকে মারধর, স্বীকার করেলেন জেল সুপার বরিশাল কারাগারে ফাঁসির আসামীকে জেলারের অমানবিক নির্যাতন

খানসামায় অ্যাম্বুলেন্স আছে, চালক নেই

অন্যায়ের প্রতিবাদ / ১০৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশকাল ► বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২০

দিনাজপুরের প্রত্যন্ত উপজেলা খানসামার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও দেড় বছর ধরে নেই কোনো চালক। এতে সময়মতো চিকিৎসাসেবা নিতে পারছেন না উপজেলার ১ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষ।

সরকারি অ্যাম্বুলেন্স পড়ে থাকায় জরুরি চিকিৎসাসেবা নিতে রোগীর ভরসা বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স, মাইক্রোবাস, ভটভটি কিংবা রিকশাভ্যান।

এতে বাড়তি ভাড়া দেয়ার পাশাপাশি চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে তাদের। জানা যায়, খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (পাকেরহাট)-এর সর্বশেষ অ্যাম্বুলেন্স চালককে প্রায় দেড় বছর আগে অনিয়মের দায়ে বদলি করা হয়।

এরপরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার গাড়ি চালক মিলন রায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তার গাড়ি না থাকায় তিনি কিছুদিন অ্যাম্বুলেন্স চালকের দায়িত্ব পালন করেন।

কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার জন্য নতুন গাড়ি বরাদ্দ হওয়ায় মিলন রায় তার মূল দায়িত্বে ফিরে আসেন। এতে চালক শূন্য হয়ে একটি নতুন ও দুটি পুরনো অ্যাম্বুলেন্স পড়ে আছে।

দেড় বছর অতিবাহিত হলেও এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন কোনো অ্যাম্বুলেন্স চালক পদায়ন না হওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গ্যারেজে দুটি ও খোলা আকাশের নিচে পড়ে থাকা একটি অ্যাম্বুলেন্সের যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

তবে করোনাকালীন সময়ে শুধু নমুনা পৌঁছানোর কাজে নতুন অ্যাম্বুলেন্সের চালক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার গাড়ি চালক মিলন রায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গুরুতর রোগীদের এখান থেকে স্থানান্তর করা হয় দিনাজপুর এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

স্থানান্তরিত রোগীদের পরিবহনের জন্য স্বজনদের ছুটতে হয় প্রাইভেট গাড়ির খোঁজে। সুযোগ বুঝে প্রাইভেট গাড়িগুলো সরকারি ভাড়ার তুলনায় অনেক বেশি অর্থ হাতিয়ে নেয়।

বাধ্য হয়ে বেশি টাকা দিয়েই উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়মিত রোগী পরিবহন করে রোগীর স্বজনরা। খানসামা উপজেলার পাকেরহাট গ্রামের মোকছেদুল ইসলাম নামে এক যুবক জানান, সপ্তাহ খানেক আগে রাতে রোগী নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে যাই।

রোগীর সমস্যা গুরুতর হওয়ায় সেখান থেকে দিনাজপুর এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

কিন্তু দিনাজপুর যাওয়ার জন্য সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের চালক না থাকায় বেশি টাকায় প্রাইভেট একটি মাইক্রো নিয়ে আমাকে যেতে হয়। একদিকে টাকা বেশি লাগল অন্যদিকে মাইক্রো ম্যানেজ করতে ভোগান্তি পোহাতে হয়।

এ বিষয়ে নব-যোগদানকৃত খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মিজানুর রহমান বলেন, আমি যোগদানের পরেই অ্যাম্বুলেন্সের চালক নিয়োগের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছি।

এছাড়াও একাধিকবার মৌখিকভাবে আমি তাদের জানিয়েছি। দ্রুত সময়ে শূন্য পদে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালক পদায়ন হলে স্বাস্থ্য সেবার মান আরও বৃদ্ধি পাবে।


এই বিভাগের আরো সংবাদ

আমাদের ফেসবুক পেজ

Facebook Pagelike Widget